Meaning of Names, Baby Name Meanings

A name is more important of identification. A beautiful name makes more beautiful when name meanings are nice. So parents and relatives find a name with the beautiful meaning of names. Baby girl names and baby boy names are different and every name has some meaning. Some of the meaning is good and some of the meaning is bad. Actually, it depends on country, language and religion. For example Arabic name Eba its means pride same in Thailand it means undertaker. For this reason, name choosing is more difficult. But most of the parents like to choose the religion name which meaning is good. We are trying to help you, finding a nice name with meaning for your little one. On our website, share with you lots of baby name and name meanings. A name is more important for a human. A man bears his or her name birth to die because the name is his or her identification. When a baby born, his or her parents and relatives choose a lot of baby names for their lovely baby. But one of a nice name they selects for baby. The name has a meaning which makes it more beautiful. Sometimes see that parents do not choose the right name for their child. For this reason, their child ask them why you choose the name or do you not find another name? So people find a beautiful name and meaning of names for the baby.

কবরে ফুল দেয়া, নীরবতা পালন ইত্যাদির বিধান – মুফতি কাজী মুহাম্মাদ ইবরাহীম

প্রশ্নঃ শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধ, স্মৃতিস্মম্ভ, মূর্তি-প্রতিকৃতি, নেতৃবৃন্দের মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ, এক মিনিট নীরবতা পালন ইত্যাদি পালন করা কি জায়েজ?

উত্তরঃ

(ক) পুস্পস্তবক অর্পণঃ যারা শহীদ হয়েছেন, ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের আত্মা আল্লাহর কাছে পুষ্পপল্লবে ঘেরা ঘন সবুজ শ্যামল বৃক্ষলতায় পরিপূর্ণ সুরভিত জান্নাতে বিচরণ করছে। শহীদ এবং ঈমানসহ মৃত্যুবরণকারী সকল মুসলিমের আত্মাই তাদের যোগ্যতা ও আমলের তারতম্য অনুসারে পাখিরূপে জান্নাতে রয়েছে বলে বিশুদ্ধ হাদীসে উল্লেখ রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “শহীদগণের রূহ আল্লাহর সান্নিধ্যে সবুজ পাখিদের মধ্যে থাকবে এবং জান্নাতের বাগ-বাগিচা ও নহরসমূহে ভ্রমণ করবে” [সহীহ মুসলিম]

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেনঃ “মুমিনের আত্মা একটি পাখি হিসেবে জান্নাতের বৃক্ষরাজিতে বিচরণ করতে থাকবে। আল্লাহ যেদিন তাকে পুনুরুত্থিত করবেন সেদিন তার দেহে আত্মাটি ফিরিয়ে দেয়া পর্যন্ত এভাবেই থাকবে” [আহমাদ, হাসান]

অপর একটি বর্ণনায়ঃ “শহীদ্গণের আত্মার প্রতি আল্লাহ দৃষ্টি দিবেন এবং বলবেন তোমরা কি কিছু কামনা করছ? তাঁরা বলবেন, আমরা আর কি কামনা করব ! আমরা তো যেখানে ইচ্ছা সেখানে বিচরণ করছি” [মুসলিম]

শহীদগণ যেখানে আল্লাহর কাছেই কিছু কামনা করছে না, সেখানে কি তারা আমাদের এসব মূল্যহীন পুষ্পস্তবকের জন্যে অপেক্ষা করছে? শহীদ ও মৃত ব্যক্তিদের জন্যে অন্তরে বাস্তব দরদ থাকলে, তাদের ত্যাগ তীতিক্ষার বিনময়ে কিছু দেওয়ার মনোবৃত্তি থাকলে সে পথটি খুঁজতে হবে, যে পথে কিছু করলে তারা পরকালে উপকৃত হবেন। সে পথটি হল আল্লাহর অনুমোদিত পথ। শহীদ ও মৃতদের জন্যে তাদের নিয়ত করে তাদের উদ্দেশ্যে কেউ যদি দান খয়রাত করেন, তাদের উদ্দেশ্যে, তাদের পক্ষ হয়ে জনকল্যাণমূলক কাজ করেন তাহলে এর বিনিময়ে তারা শত কোটি পুষ্প অফুরন্ত নেয়ামত, ফুলে ফলে ভরা উদ্যানের মালিক হতে পারেন আল্লাহর কাছে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “যে ব্যক্তি একবার সুবহানাল্লাহ বলল তার জন্য একটি খেজুর গাছ লাগানো হবে জান্নাতে” [তিরমিযি]

অপর বর্ণনায় রয়েছেঃ “সে গাছটির ছায়ায় একশত বছর দ্রুতগামী ঘোড়া দৌড়ালেও তার ছায়া শেষ করা যাবে না”

বুঝা গেল, পৃথিবীতে বসে সৎ কর্মের মাধ্যমে উর্ধজগতে নিজের জন্য কিংবা কোন মৃতের জন্যে উদ্যান তৈরি করা যায়। পৃথিবীতে বসে এমন কাজটি করতে হবে যা ঊর্ধজগতের বাসিন্দাদের নিকট পৌঁছায়। তার পদ্ধতি আমরা উল্লেখ করেছি। আর এটাই হল তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “তোমাদের আমলগুলো তোমাদের মৃত নিকটাত্মীয় ও তোমাদের সম্প্রদায়ের লোকদের কাছে তাদের কবরে পেশ করা হয়। আমলগুলো ভাল হলে তারা আনন্দিত হয় আর অন্য কিছু হলে তারা বলে হে আল্লাহ তাদেরকে তোমার আনুগত্যের আমল করার এলহাম কর” [আবু দাউদ, তাবারানী,আহমাদ]

বুঝা গেল, শহীদ ও মৃতদেরকে তারাই আনন্দিত ও উপকৃত করে যারা তাদের জন্যে দুয়া ও দান খয়রাত করে। পুস্পস্তবক অর্পণকারীদের এই কর্মে তারা কবরে দুঃখ অনুভব করেন। আমাদের দেশে যা করা হয় এতে মনে হয় শহীদগণ শহীদ হয়ে যেন অপরাধ করে গেছেন। তাদের নামে এমন সব কর্মকাণ্ড করা হয় যা তাদের ত্যাগ তীতিক্ষার প্রতি উপহাসের শামিল। ইট, সিমেন্ট,রড দিয়ে কিছু একটা বানিয়ে সেখানে কিছু ফুল রেখে আসলে তা কি শহীদগণ পেলেন নাকি ঐ ইট, সিমেন্ট, রডগুলোকেই দেয়া হল সেই ফুলের সওগাত?

কাদের থেকে শিখেছি এই পুস্পস্তবক অর্পণ?

মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আনীত ধর্মে পুস্পস্তবক অর্পণের কোন বিধান নেই। মৃতদের জন্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ খ্রিস্টান জাতির সংস্কৃতি। হিন্দু ধর্মেও মূর্তিকে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। শুধু পুস্পস্তবক অর্পণ নয় মিষ্টি, সন্দেশ, দুধ কলার স্তবকও অর্পণ করা হয় দেবভোগ হিসেবে। আল কুর’আনে ইবরাহীম (আলাইহি সালাম) এর ঘটনা বর্ণণা প্রসংগে বলা হয়েছে- “অতঃপর সে তাদের দেবালয়ে, গিয়ে ঢুকল এবং বললঃ তোমরা খাচ্ছ না কেন? তোমাদের কি হল যে, কথা বলছ না?” [সূরা সাফফাত ৯১-৯২]

মূলত পুস্পস্তবক অর্পণ মূর্তিপূজার অংশ, এটি একটি ইবাদত যা মূর্তিকে দেয়া হয়। কাজেই মুসলিমদের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহনের কোন সুযোগ নেই। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ

“কোন ব্যক্তি সংস্কৃতিতে যে সম্প্রদায়ের অনুসরণ করে সে তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়” [আবু দাউস, সনদ উত্তম]

(খ) এক মিনিট নীরবতা পালনঃ এটা হারাম

কায়েস ইবনু আবী হাযেম বলেন, “আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) (হজের মওসুমে) যায়নাব নামক আহমাস গোত্রীয় এক মহিলার নিকট গেলেন। তিনি দেখলেন, সে কথা বলে না। তিনি বললেন, সে কথা বলে না কেন? লোকেরা বলল- তার হজটি এমন যাতে সে নীরবতা পালন করছে। আবু বকর তাকে বললেন,তুমি কথা বল। তোমার এ নীরবতা পালন অবৈধ। এটি জাহেলিয়াতের (শিরক ও অজ্ঞতা) যুগের কাজ। অতঃপর সে মহিলাটি কথা বলল [বুখারী]

আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ “তোমরা আল্লাহর জন্যে নীরবতা পালন কর”

আরেকটি হাদীসে হক ও সত্য থেকে নীরবতা পালনকারীকে বোবা শয়তান বলা হয়েছে। মৃতদের জন্যে দুয়া করা একটি হক ও সত্য দ্বীনি বিধান। তা না করে যারা নীরব থাকে তারা এই হাদীস অনুযায়ী বোবা শয়তান। আল্লাহ তো বোবা হতে কাউকে নির্দেশ দেননি। তিনি তাকে উদ্দেশ্য করে মুখ খুলে দু’আ করতে নির্দেশ দিয়েছেন

মূলঃ তাওহীদ জিজ্ঞাসা জবাব (১)
কাজী মুহাম্মাদ ইবরাহীম
প্রধান মুহাদ্দিস, জামিয়া কাসেমিয়া নরসিংদী




কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী সূর্য গ্রহন ও চন্দ্র গ্রহনের কোন প্রভাব গর্ভবতী মা, বা তার গর্ভস্থ ভ্রুনের উপর পড়ে না। গর্ভবতী মা কোন কিছু কাটলে,..

Read More

গরমে বড়দেরই জীবনই অতিষ্ঠ হয়ে উঠে তাই ছোটদের তো কথাই নেই। গরমে শিশুরা বড়দের তুলনায় অনেক বেশি ঘামে। এ সময় তাদের মৌসুমজনিত নানারকম সমস্যা দেখা..

Read More

শিশুর জন্মের পর থেকে প্রথম কিছু বছর তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই কিছু বছরের কার্যকলাপের উপরেই শিশুর পরবর্তি জীবনের বুদ্ধিমত্তা..

Read More